পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক নারীর করুণ পরিণতিঃ
নাবি তাজিমা ( 4 আগস্ট, 1900 – ২1 এপ্রিল ২018)তিনি একজন জাপানী সুপারসেনটেনেনীয় ছিলেন । যিনি 16 সেপ্টেম্বর ২017 তারিখে তার নিজের মৃত্যুর সময় পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক নারী হিসেবে গিনেজ বুকে রেকর্ড গড়েছেন। তিনি হলেন এশিয়ার একমাত্র বয়স্ক নারী এবং আধুনিক মানবের দ্বারা বিশ্বের সর্বপ্রথম সবচেয়ে বয়স্ক নারী হিসেবে বৈধতা লাভ করেন।
ব্যক্তিগত জীবনঃ
তাজিমা জাপানের আরাকিতে জন্মগ্রহণ করেন, যেটি তখন কিকাইজিমা দ্বীপের পশ্চিমাংশে ওয়ায়ান গ্রামে অবস্থিত ছিল। ফেব্রুয়ারি 2002 থেকে তার মৃত্যু পর্যন্ত, তিনি কাগায় ও কিকাইতে নামক একটি নার্সিং হোমে ছিল।তার স্বামী, তমিনিশী তাজিমা কিছু সূত্র অনুযায়ী সম্ভবত 1992 বা 1993 সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার নয়টি সন্তান (সাত পুত্র ও দুই কন্যা) ছিলেন। ২017 সালের সেপ্টেম্বরে তিনি বিশাল-নাতি-নাতনিদের সহ 160 বংশধরদের নিয়ে রিপোর্ট করেছিলেন।
দীর্ঘায়ুঃ
জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি হিসেবে নাবি তাজিমা খ্যাতি লাভ করে। এর আগ পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি জ্যামাইকার ভায়োলেট ব্রাউন। (ইউটিসি -5) -এ 15 সেপ্টেম্বর ২017 তারিখে ভায়োলেট ব্রাউন মারা যান। 16 শে সেপ্টেম্বর ২017 সালে কেবলমাত্র নাবী তাজিমা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো জীবন্ত ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিল- এবং 19 শতকে জন্মগ্রহণকারী শেষ জীবিত ব্যক্তি। অন্যরা নাবী তাজিমার চেয়ে বড় হবে বলে দাবি করেছেন। কিন্তু, এই দাবিগুলির মধ্যে কেউই যথেষ্টভাবে যাচাই করা হয়নি।
মৃত্যুঃ
নাবি তাজিমা 21এপ্রিল 2018 সালে জাপানের কিকাইতে হাসপাতালে মারা যাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 117 বছর 260 দিন।
মূল্যায়নঃ
পৃথিবীতে গড় আয়ুতে এগিয়ে আছে এখনও পর্যন্ত জাপান। পৃথিবীর ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে আজ পর্যন্ত জাপানিরা সবচেয়ে বেশি দীর্ঘায়ু হয়। নাবী তাজিমার মৃত্যুর পর ঐ দেশের সরকার একটা বিবৃতিতে বলেছেন যে, এখনও পর্যন্ত জাপানে 68,000 হাজারের বেশি মানুষ 100 বছরের ঊর্ধ্বে জীবিত অবস্থায় রয়েছে । শুধু তাই নয় দক্ষিণ এশিয়ায় যে সকল দেশ আছে তার মধ্যে জাপান একমাত্র দীর্ঘায়ুর দেশ।